মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা

i)     সুন্দরবনে জীববৈচিত্র্য রক্ষা, প্রকৃতি পর্যটন উন্নয়ন, বনজসম্পদ রক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। বন ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং জীববৈচিত্র্য উন্নয়নের জন্য ‘সুন্দরবন সুরক্ষা প্রকল্প’ প্রস্তাবনা প্রস্তুত করে প্রেরণ করা হয়েছে। প্রকল্পটি একনেকে অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এ-প্রকল্পের অধীন বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত উল্ল্যেখযোগ্য কার্যক্রমসমূহ:

  • সুন্দরবনের ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সরবরাহ নিশ্চিতকরনের জন্য পুকুর খনন, টহলফাঁড়ি নির্মাণ, ফাইবার বডি ট্রলার ক্রয়, পন্টুন গ্যাংওয়ে নির্মাণ, বুষ্টির পানি সংরক্ষণ আধার এবং স্টাফদের প্রশিক্ষণ প্রদান;
  • সুন্দরবন নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর টেকসই জীবিকা নির্বাহ নিশ্চিতকরনের জন্য পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের মাধ্যমে ৫০,০০০ নির্ভরশীল জনেগোষ্ঠীর বিকল্প জীবিকায়নের ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ৩০,০০০ সম্পদ সংগ্রহকারীর আইডি কার্ড প্রদান;
  • সহব্যবস্থাপনা পদ্ধতি প্রাতিষ্ঠানিকীকরনের মাধ্যমে সুন্দরবন সুরক্ষায় সহায়তা করার লক্ষ্যে কমিউনিটি পেট্রোল গ্রুপের সদস্যকে ভাতা প্রদান;
  • সুন্দরবনের অভ্যন্তরে পানির প্রবাহ বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভরাট হয়ে যাওয়া খাল/ নদীসমূহ পুনর্খনন করা;
  • বিজ্ঞানভিত্তিক বন-ব্যবস্থাপনার উদ্দেশ্যে সুন্দরবনের বনজসম্পদ, মৎস্যসম্পদ, বাস্তসংস্থান সংক্রান্ত সার্ভে ও তথ্য সংগ্রহ করা;
  • ২০২১-২২ সনে ক্যামেরা ট্র্যাপিং-এর মাধ্যমে বাঘ মনিটরিং (পরিবীক্ষণ) কার্যক্রম সম্পন্ন করা;

ii)    সুন্দরবনে পরিবেশ বান্ধব পর্যটন (Ecotourism) সুবিধা সম্প্রসারণ ও মান উন্নয়নের মাধ্যমে স্থানীয় বন নির্ভর জনগোষ্ঠীর বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা এবং সুন্দরবনের সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাসকরনের মাধ্যমে সুন্দরবনের সুরক্ষায় সহায়তা করার উদ্দেশ্যে ‘সুন্দরবনে পরিবেশ বান্ধব পর্যটন (ইকোট্যুরিজম) সুবিধা সম্প্রসারণ ও উন্নয়ন প্রকল্প’ প্রস্তাবনা প্রস্তুত করে অনুমোদনের জন্য ঊর্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট প্রেরণ করা হয়েছে।  এ-প্রকল্পের অধীন বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তাবিত উল্লেখ্যযোগ্য কাযক্রমসমূহ:

  • প্রকল্পটি অনুমোদিত হলে বিদ্যমান প্রকৃতি নির্ভর পর্যটন কেন্দ্র, যেমন: করমজল, হাড়বাড়িয়া, কটকা, কচিখালী, হিরনপয়েন্ট, দুবলারচর, কলাগাছিয়া ইত্যাদি এলাকার সেবার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে;
  • সুন্দরবনের অভ্যন্তরে নতুন ৪টি প্রকৃতি পর্যটন কেন্দ্র যথা: শরণখোলা, আন্ধারমানিক, কালাবগী ও শেকেরটেক ইকোটুরিজম কেন্দ্র স্থাপন করা সম্ভব হবে;
  • প্রকল্পের মাধ্যমে সহব্যবস্থাপনা পদ্ধতিতে সম্পৃক্ত বননির্ভর জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে প্রকৃতি পর্যটনের মাধ্যমে তাদের দারিদ্র্য বিমোচনে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

iii)     সুন্দরবনে ডলফিন সার্ভের মাধ্যমে নতুন ডলফিন হটসুট নির্ণয় পূর্বক সংরক্ষক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।

iv)     সুন্দরবনে মৎস্যসম্পদ ও কাকড়া স্টক জরিপ করা হবে।

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter